কুলদা রায় মুক্তিযুদ্ধের সময় একটি গ্রামের উপর পাক বাহিনীর আক্রমণের নৃশংসতা বর্ণনা করেছেন তার ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে। তিনি সেই সময়কার বিভীষিকা তুলে এনেছেন:
তরুণতর বড় দাদার কাঁধে আজ বাবার কাঁধের বড় পোটলাটি। আর মেজ দিদির কাঁধে দাদার পোটলাটি। বড়দিদি সেজ বোনটিকে নিয়ে জলে ঝাপ দিয়ে পড়ল। মা হায় হায় করে উঠল। ছোট বোনটিকে কোলে নিয়ে বড়দিদিকে টেনে ধরেছে। জলে ভেসে যেতে যেতে একাবার আকাশের দিকে তাকাল। ছোট বোনটি চোখ বন্ধ করে ফেলেছে।
খাঁ বাড়ির বড়ো মিয়া আর সনাতন মিস্ত্রির সবল হাত এগিয়ে এল। জল থেকে টেনে তুলল। তারপর আবার ওরা টুপ করে ঢুকে পড়ল পাট ক্ষেতে। বলে উঠল, মরে গেলিও কেউ কিন্তু শব্দ করতি পারবা না।
তারপর সেই সত্য যা অনেককেই আবেগাক্রান্ত করে:
…খুব কালো হয়ে পড়ে আছে একজন পুরুষ কি নারী কিশোর কি কিশোরী কি হিন্দু কী মুসলিম কী নাসারা কী কাফির কী সাধু কী দুশমন কী ফেরিশতা… শিয়রে টিয়া পাখি… পদতলে একটি বিড়াল… আর বুক জুড়ে যে শিশু অথবা বালক অথবা গোপাল কি হরি কি যীশু কি রহিম কি সাকার কি নিরাকার কি ক্রুশ কি বৃক্ষ কি প্রাণী কি হাওয়া কি রোদ কি অতীত…
পুরোটা পড়ুন আমারব্লগে।





![In Blissful Heaven [..Narayanganj, Bangladesh..] A photo on Flickr](http://farm2.static.flickr.com/1151/1395604860_c79087b6a0_s.jpg)
![Land of Landscape : Rangamati [ Kaptai Lake, Rangamati Bangladesh] A photo on Flickr](http://farm4.static.flickr.com/3319/3592870704_f1e0ed856b_s.jpg)