Archive for the ‘খবর’ বিভাগ

কবি আল মাহমুদ কি আদৌ মুক্তিযোদ্ধা ???

ডিসেম্বর 27th, 2009

আল মাহমুদ
কবি আল মাহমুদকে জামাতে ইসলামী বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রোববার ২৭শে ডিসেম্বর ২০০৯ সংবর্ধনা দিয়েছে

আরিফ জেবতিক মুক্তিযুদ্ধে আল মাহমুদের ভূমিকা নিয়ে লিখেছেন এবং প্রশ্ন করেছেন কবি আল মাহমুদ কি আদৌ মুক্তিযোদ্ধা ???

কবি আল মাহমুদ আসলে প্রভাবশালী ভগ্নীপতির ছত্রছায়ায় কলকাতার জীবনে খুবই আরামে ছিলেন । ভগ্নিপতি তাকে একটি আইডি কার্ড ধরিয়ে দিয়েছিলেন , মুক্তিযুদ্ধের সাথে এটাই কবির প্রত্যক্ষ যোগাযোগের বড় পরিচয় ।

কবি নয়মাস কলকাতাতেই ছিলেন এবং পূর্ণেন্দু পত্রী আর রাজেশ্বরী রায়ের সাথে কলকাতাকে জানতেই তার সময়টি ব্যয় হয়েছে । দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কলকাতাকে জানাটা যদি কবির কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় , তাহলে তাকে আর যাই হোক মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মিলিয়ে ফেলাটা মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা ছাড়া আর কিছুই নয় ।

বিস্তারিত পড়ুন এখানে

VN:F [1.6.8_931]
Rating: 10.0/10 (2 votes cast)
VN:F [1.6.8_931]
Rating: 0 (from 0 votes)

প্যারিসের মেট্রো

নভেম্বর 16th, 2009

প্যারিসের আন্ডারগ্রাউন্ড - ছবি ওয়াসিম খান পলাশের সৌজন্যে।

প্যারিস থেকে ওয়াসিম খান পলাশ লিখছেন ফ্রান্সের অত্যাধুনিক আন্ডার গ্রাউন্ড মেট্রো রেলের যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে:

প্যারিসের মেট্রো সবার কাছে এক গোলক ধাঁধা। বিদেশি পর্যটক,এমনকি ফরাসীরাও যারা দূরের কোনো প্রভিন্সে বসবাস করেন, একটি বারার জন্যে হলেও আসেন প্যারিসের মেট্রোতে ঘুড়ে বেড়াতে। প্যারিসের মেট্রো যেন এই স্বপ্নীল সিটিকে যেন আরো স্বপ্নময় করে তুলেছে। ঠিক পাশাপাশি এই এর সাবওয়েই অনেক ছিন্নমূল মানুষের আশ্রয়ের জায়গা এখন। এই ছিন্নমুলদের প্রায়ই এদিক ওদিক পায়চারি করতে দেখা যায় । এটা যেন কেমন এক বাস্তবতা।

VN:F [1.6.8_931]
Rating: 0.0/10 (0 votes cast)
VN:F [1.6.8_931]
Rating: 0 (from 0 votes)

গ্রীসে বাংলাদেশীদের বেহাল অবস্থা

নভেম্বর 6th, 2009

সুদুর স্পেন থেকে প্রবাসীদের কণ্ঠ বাংলা৭১.নেট ব্লগ গ্রীসে প্রবাসী বাংলাদেশীদের বেহাল অবস্থা নিয়ে আলোকপাত করেছে:

গ্রীসে ৩০ হাজারেরও অধিক বাংলাদেশীর প্রায় সকলেই মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা পর্যìত কাজ করে যে আয় করছেন তা দিয়ে মাসে ১০০০ ইউরো (১৫০০ ইউএস ডলার) দিয়ে বাসা ভাড়া নেয়া সম্ভব হয় না। তদুপরি তাদেরকে প্রতিনিয়ত বর্ণ- ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক আচরণের শিকার হতে হচ্ছে পুলিশ ও স্খায়ী বাসিন্দা কর্তৃক।

মেহেরুপুরের ফরহাদ বলেছেন, ১০ লাখ টাকা দালালকে দিয়ে এথেন্সে আসার জন্যে বাড়ি ছাড়ি। পায়ে হেঁটে এবং ট্রাকে চড়ে আফগানিস্তান হয়ে ইরান এবং তারপর তুরস্কে পৌঁছি। তুরস্ক থেকে গ্রীসে এসে পৌঁছা পর্যìত ৪ মাস অবর্ণনীয় দুর্দশা পোহাতে হয়। কিন্তু সে সব কষ্ট গায়ে লাগেনি। ভেবেছি গন্তব্যে পৌঁছার পরই ভাগ্য পরিবর্তনের প্রত্যাশা পূরণ হবে। বাড়িতে রেখে আসা স্বজনের জন্যে মোটা অর্থ পাঠাতে পারবো। এক সময় নিজেও মোটা তহবিল গড়ে ফিরে যাবো প্রিয় মাতৃভূমিতে। ফরহাদ বলেন, এখানে আসার পর সে সব স্বপ্ন বলেই মনে হচ্ছে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে খেলনা বিক্রি করছি। কেননা আমাদের বৈধ ডক্যুমেন্ট নেই এদেশে বাস করার। সে জন্য ভাল কাজ পাচ্ছি না। যে কাজ করছি তা থেকেও ন্যায্য পারিশ্রমিক পাচ্ছি না। ঝড়-বৃষ্টি-খরা সবটাই মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে। তবুও কাজ করছি। কাজ না করলে স্বজনের জন্যে টাকা পাঠাবো কীভাবে? ফরহাদ বলেন, এদেশের মানুষ খুব ভাল নজরে আমাদের দেখে না। ঘৃণা করে ওরা। পুলিশও সবসময় পিছে লেগেই রয়েছে। ধরা পড়লেই সর্বনাশ। সবকিছু কেড়ে নিয়ে জেলে দেবে এবং ডক্যুমেন্ট না থাকলেই পাঠিয়ে দেবে বাংলাদেশে।

VN:F [1.6.8_931]
Rating: 8.0/10 (1 vote cast)
VN:F [1.6.8_931]
Rating: +1 (from 1 vote)