রাহা ঢাকার পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে নতুন ওয়ান স্টপ সার্ভিসে অভিভূত।
সর্বোসাকুল্যে ২০ মিনিট– আমি তাজ্জব হয়ে গেলাম ।
সব সরকারী অফিসেই কি এমন তাজ্জব হবার ব্যবস্থা করা যায় নাহ!!
রাহা ঢাকার পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে নতুন ওয়ান স্টপ সার্ভিসে অভিভূত।
সর্বোসাকুল্যে ২০ মিনিট– আমি তাজ্জব হয়ে গেলাম ।
সব সরকারী অফিসেই কি এমন তাজ্জব হবার ব্যবস্থা করা যায় নাহ!!
পনেরই আগস্ট প্রতিবারই আসে আমাদের সামনে দুঃখ, বেদনা, ক্ষোভ আর যন্ত্রণা নিয়ে। এ দিনই বাংলাদেশের সামগ্রিক দৃশ্যপটের পরিবর্তন হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যার মধ্য দিয়ে। সে দিনের কথা মনে হলে শোকে আপ্লুত হই।
এভাবেই ১৫ই আগস্টে, ১৯৭৫ কে স্মরণ করছেন তৎকালীন ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা নগরের সভাপতি কামরুল হাসান খান।
ভোরবেলা রুমের দরজায় জোরে জোরে ধাক্কা “কামরুল ভাই উঠুন, সর্বনাশ হয়ে গেছে!” দরজা খুলে দেখি সূর্যসেন হলের খোকন দাঁড়িয়ে। কান্না ভেজা কণ্ঠে বলছে, “এইমাত্র রেডিওতে এ্যানাউন্স করলো বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে।” শুনে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। বিশ্বাস হচ্ছিল না – কিছু চিন্তা করতে পারছিলাম না – অনেকক্ষণ মুখ দিয়ে কোন কথা আসছিল না। মুক্তিযুদ্ধের সময় নেয়া গেরিলা প্রশিক্ষণও যেন মুছে গিয়েছিল মন থেকে। একটু ধাতস্থ হয়ে বললাম, “তোমরা হলেই সতর্ক থাক, খোঁজ খবর নাও।”
পুরোটা পড়ুন মুক্তমনা ব্লগে।
নিল আকাশের দুঃখ মাইকেল জ্যাকসনকে নিয়ে বিভিন্ন ব্লগারের লেখার লিংক এর একটি সংকলন করেছেন।
সুদুর স্পেন থেকে প্রবাসীদের কণ্ঠ বাংলা৭১.নেট ব্লগ গ্রীসে প্রবাসী বাংলাদেশীদের বেহাল অবস্থা নিয়ে আলোকপাত করেছে:
গ্রীসে ৩০ হাজারেরও অধিক বাংলাদেশীর প্রায় সকলেই মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা পর্যìত কাজ করে যে আয় করছেন তা দিয়ে মাসে ১০০০ ইউরো (১৫০০ ইউএস ডলার) দিয়ে বাসা ভাড়া নেয়া সম্ভব হয় না। তদুপরি তাদেরকে প্রতিনিয়ত বর্ণ- ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক আচরণের শিকার হতে হচ্ছে পুলিশ ও স্খায়ী বাসিন্দা কর্তৃক।
মেহেরুপুরের ফরহাদ বলেছেন, ১০ লাখ টাকা দালালকে দিয়ে এথেন্সে আসার জন্যে বাড়ি ছাড়ি। পায়ে হেঁটে এবং ট্রাকে চড়ে আফগানিস্তান হয়ে ইরান এবং তারপর তুরস্কে পৌঁছি। তুরস্ক থেকে গ্রীসে এসে পৌঁছা পর্যìত ৪ মাস অবর্ণনীয় দুর্দশা পোহাতে হয়। কিন্তু সে সব কষ্ট গায়ে লাগেনি। ভেবেছি গন্তব্যে পৌঁছার পরই ভাগ্য পরিবর্তনের প্রত্যাশা পূরণ হবে। বাড়িতে রেখে আসা স্বজনের জন্যে মোটা অর্থ পাঠাতে পারবো। এক সময় নিজেও মোটা তহবিল গড়ে ফিরে যাবো প্রিয় মাতৃভূমিতে। ফরহাদ বলেন, এখানে আসার পর সে সব স্বপ্ন বলেই মনে হচ্ছে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে খেলনা বিক্রি করছি। কেননা আমাদের বৈধ ডক্যুমেন্ট নেই এদেশে বাস করার। সে জন্য ভাল কাজ পাচ্ছি না। যে কাজ করছি তা থেকেও ন্যায্য পারিশ্রমিক পাচ্ছি না। ঝড়-বৃষ্টি-খরা সবটাই মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে। তবুও কাজ করছি। কাজ না করলে স্বজনের জন্যে টাকা পাঠাবো কীভাবে? ফরহাদ বলেন, এদেশের মানুষ খুব ভাল নজরে আমাদের দেখে না। ঘৃণা করে ওরা। পুলিশও সবসময় পিছে লেগেই রয়েছে। ধরা পড়লেই সর্বনাশ। সবকিছু কেড়ে নিয়ে জেলে দেবে এবং ডক্যুমেন্ট না থাকলেই পাঠিয়ে দেবে বাংলাদেশে।